January 21, 2020, 4:55 pm

শীতে নবজাতকের জন্ম

শীতে নবজাতকের জন্ম

কোনো শিশুর জন্ম মানে আনন্দের বন্যা বয়ে যাওয়া। এই শীতের মধ্যে কোনো শিশু জন্মালে তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা যেন একটু বেশিই থাকে। শীতের মধ্যে নবজাতক শিশুর বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। ঠাণ্ডায় শিশুর নাক বন্ধ হয়ে গেলে, বুকে কফ জমে শব্দ হতে থাকলে বা অন্য কোনো রোগের লক্ষণ দেখলে দেরি করবেন না। কোনোরকম অবহেলা না করে বা ঘরোয়া চিকিৎসা না করিয়ে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

তাপমাত্রা: মায়ের গর্ভের স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে শিশু পৃথিবীতে আসার পরে চারপাশের তাপমাত্রায় খাপ খাওয়ানো জরুরি। শিশুর শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা দ্রুত তৈরির জন্য শিশুর থাকার জায়গাটিকে পর্যাপ্ত পরিমাণে উষ্ণ রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

বুকের দুধ: জন্মের পর থেকেই শিশুকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। কারণ এতে করে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত তৈরি হবে। নিয়মিত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ালে শিশু সহজে ঠাণ্ডা, কাশিতে পড়বে না।

পর্যাপ্ত গরম কাপড়: শিশু জন্মানোর পর তার ত্বক আর শ্বাসতন্ত্র নাজুক, অপরিণত অবস্থায় থাকে। শিশুকে সবসময়ের জন্য উষ্ণ রাখতে তাকে পর্যাপ্ত আরামদায়ক গরম কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন।

শিশুর গোসল: ৩০ দিন পর্যন্ত বয়সের নবজাতকদের সপ্তাহে সাধারণত দুদিন গোসল করানো উচিৎ। আর ৩০ দিন বয়স পার হলে শিশুদের প্রতিদিন গোসল করানো ভালো। তবে শিশুর ওজন অল্প হলে, শিশুর নাক দিয়ে পানি পড়লে, নিউমোনিয়ার কোনো লক্ষণ থাকলে বা ঠাণ্ডা লেগে থাকলে গোসল না করানোই ভালো।

শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি: শীতকালে শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানির প্রকোপ বাড়ে। নবজাতক শিশুর শ্বাসনালী বেশি সংবেদনশীল হওয়ার কারণে এই রোগ দুটি নিয়ে ভয় বেশি থাকে। যে ঘরে আপনার শিশুটি থাকবে সেই ঘরে কার্পেট, লোমযুক্ত চাদর, কম্বল ইত্যাদি ব্যবহারে সতর্ক হোন।

ডায়াপার: নবজাতককে ডায়াপার না পরানোই ভালো। আর নিতান্তই যদি পরাতে হয় তবে নিয়মিত তা বদলে দিতে হবে। মলমূত্র ত্যাগের পর দীর্ঘসময় যেন তাদের গায়ে লেগে না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। শিশুদের শরীরে বিশেষ ধরনের অ্যান্টি-র‌্যাশ ক্রিম ব্যবহার করা উচিৎ, নাহলে শরীরে ফুসকুড়ি ওঠার ভয় থাকে।

রোদ লাগানো: শিশুর ব্যবহার করা লেপ, তোশক, কম্বল, চাদর ইত্যাদি নিয়মিত কড়া রোদে শুকাতে হবে। রোদ থেকে তোলার পর তা ভালো করে ঝেড়ে পরিস্কার করে নেবেন। আর এগুলোর ওপর কাপড়ের কভার ব্যবহার করবেন। শীতকালে শিশুর শরীরেও পর্যাপ্ত রোদ লাগাতে হবে। এতে করে শরীরে ভিটামিন ডি এর চাহিদা পূরণ হবে, তার হাড় ও পেশী শক্ত হবে। সুত্র : ইন্টারনেট

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017
Design & Developed BY ThemesBazar.Com